মাশরাফি সরে গেলে অবাক হবেন না আশরাফুল!
পনের বছর ছাড়িয়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বিতর্ক একেবারেই স্পর্শ করতে পারেনি তাকে। নিজেকে উজাড় করে খেলে যাচ্ছেন বলেই হয়তো ক্রিকেটাঙ্গনে মাশরাফি বিন মতুর্জার নামটি শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় উচ্চারিত হয়। কিন্তু এই ক্রিকেটারটিকেই কি-না অসম্মানিত করার এক 'খেলা' শুরু হয়েছে! আর সেই খেলায় শামিল খোদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তিনি নিজে কিছু না বললেও টি-টুয়েন্টি থেকে তাকে অবসরের পথ দেখিয়ে দেয়া হয়েছে! এমন ঘটনাকে দেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধিনায়কের প্রতি অসম্মান হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।সম্প্রতি বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছিলেন, নিউজিল্যান্ড থেকে ঢাকায় ফেরেই নাকি টি-টুয়েন্টিকে বাই বলবেন ম্যাশ। তবে হাতে চোট পাওয়া রঙিন পোশাকের অধিনায়ক এ নিয়ে কিছুই বলেননি।
'দেখুন, মাশরাফির যতো দিন খেলতে চায় ওকে খেলতে দেয়া উচিত। আপনি গত দুই বছরের কথাই ধরুন- অসাধারণ ক্যাপ্টেন্সি করছে। তার নেতৃত্বে দল সাফল্যও পাচ্ছে। এ অবস্থায় ওকে ওর মতো সিদ্ধান্ত নিতে দেয়া উচিত।এভাবে বোর্ড প্রধানের মন্তব্য দেশের সর্বকালের সেরাদের একজনের জন্য সম্মানহানিকর মনে করেন দেবব্রত মুখোপাধ্যায়।
দৈনিক
ইত্তেফাকের সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক বলছিলেন, 'আমার কাছে ব্যাপারটা খুবই নেতিবাচক
মনে হচ্ছে। আবার বোর্ড কর্তা এমনও বলেছেন যে তানবীর হায়দার কার পছন্দে খেলছেন?
সেখানে তিনি মাশরাফি আর সাকিবের নাম নিয়েছেন। সাধারণরা এমন করে ভাবতে পারেন, বলতে
পারেন। কিন্তু বোর্ড এনিয়ে কেন বললো জানি না। মনে হচ্ছে সবকিছু ঠিকমতো চলছে
না।
তবে মাশরাফি দেশে ফিরে যদি টি-টুয়েন্টি থেকে অবসর নিয়ে নেন তাহলে অবাক হবেন না
আশরাফুল। যেমনটা বলছিলেন টেস্টের সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান, 'মাশরাফি আমার বন্ধু।
দীর্ঘদিন ওর সঙ্গে খেলেছি। আমি জানি ও টি-টুয়েন্টি ততোটা উপভোগ করে না। নেতৃত্ব
দিচ্ছে বলেই হয়তো নিয়মিত খেলছে। সত্যি বলতে কী ও ২০ ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
থেকে দাড়ালে আশ্চর্য হবো না। কারণ, এটা ওর জন্য নয়।
'দেখুন, মাশরাফির যতো দিন খেলতে চায় ওকে খেলতে দেয়া উচিত। আপনি গত দুই বছরের কথাই ধরুন- অসাধারণ ক্যাপ্টেন্সি করছে। তার নেতৃত্বে দল সাফল্যও পাচ্ছে। এ অবস্থায় ওকে ওর মতো সিদ্ধান্ত নিতে দেয়া উচিত।এভাবে বোর্ড প্রধানের মন্তব্য দেশের সর্বকালের সেরাদের একজনের জন্য সম্মানহানিকর মনে করেন দেবব্রত মুখোপাধ্যায়।

No comments